লক্ষ টাকা বেতনের চাকরি ছেড়ে বাংলাদেশে আসলেন যে কালজয়ী বিজ্ঞানী | Dr Jamal Nazrul Islam

এখন আপনি যাকে গান গাইতে দেখছেন, তিনি পেশায় একজন গায়ক নন। ইনি একজন নামজাদা অধ্যাপক, কাজ করেছেন গণিত ও পদার্থবিজ্ঞান নিয়ে। এই লোকটা বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম ব্যাক্তি যিনি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে একুশে পদকে সম্মানিত হয়েছেন। এখন পর্যন্ত এই পদক বাংলাদেশের ইতিহাসে মাত্র ৩ জন পেয়েছেন! একজন অধ্যাপক ডা. বরেন চক্রবর্তী স্যার এবং অন্যজন অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী স্যার।

অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী স্যার ও অধ্যাপক ডা. বরেন চক্রবর্তী স্যার

কথা বলছিলাম অধ্যাপক ড. জামাল নজরুল ইসলাম স্যারকে নিয়ে। আজ ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, স্যারের জন্মদিন। জামাল নজরুল স্যারের সাথে বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং এর কিরকম সম্পর্ক ছিলো আর এত সম্ভাবনা থাকা সত্বেও এই মহান বিজ্ঞানী বাংলাদেশে ফিরে এসে কি করেছেন? এই পুরো ব্যাপারটি আমি আজকে আপনাদের সামনে আলোচনা করবো, তো চলুন শুরু করা যাক। 

 

জামাল নজরুল ইসলাম স্যারের জন্ম ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ১৯৩৯ সালে, ঝিনাইদহে। কিন্তু উনার পৈতৃক নিবাস  যেটা চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলায় অবস্থিত। যারা চট্টগ্রাম থাকেন, তারা ভালো চিনবেন। তার বাবার নাম খান বাহাদুর সিরাজুল ইসলাম। উনি ছিলেন অবিভক্ত বাংলার একজন আইন সচিব। উনার মায়ের নাম রাহাত আরা বেগম।

ইন্টারেস্টিং ফ্যাক্ট, উনার মা একজন উর্দু কবি ছিলেন। আরেকটা ইন্টারেস্টিং ফ্যাক্ট, উনার স্ত্রী সুরাইয়া ইসলাম কিন্তু বাংলাদেশের মেয়ে ছিলেন না, উনি কলকাতার মেয়ে ছিলেন। এটা ছাড়াও আপনারা হয়তো “ঢাকা লিট ফেস্ট” (Dhaka Lit Fest) এর নাম শুনছেন, অনেক সময় ধরেই এটা হয়ে আসতেছে, আমরা বিভিন্ন সময় ওইখানে গিয়ে বিভিন্ন ছবি তুলি। বেশ ভালো মিডিয়া এটেনশন পায় এবং খুবই ভালো একটা ফেস্ট। এই ঢাকা লিট ফেস্ট এর যে ডিরেক্টর এবং প্রোডিউসার “সাদাফ সাজ”, উনি কিন্তু জামাল নজরুল স্যার এর বড় মেয়ে!

সাদাফ সাজ

এই জিনিসটা আমি এতদিন পর্যন্ত জানতাম না, এইবার প্রথম আমি এটা জানতে পারলাম।

জামাল নজরুল ইসলাম স্যার পড়াশোনা করছেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ঐখান থেকে বিএসসি ডিগ্রি কমপ্লিট করছেন। এরপরে ১৯৫৯ সালে উনি ইউনিভার্সিটি অফ কেমব্রিজ থেকে ফাংশনাল ম্যাথমেটিক্স এবং থিউরিটিকাল ফিজিক্স, এই দুটো বিষয়ে অনার্স করেন। ১৯৬০ সালে তিনি তার মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। তিনি তার PhD টা কমপ্লিট করছিলেন খুবই গুরুত্বপূর্ন এবং বিখ্যাত একটা জায়গা থেকে, সেটা হচ্ছে কেমব্রিজ এর ট্রিনিটি কলেজ। ১৯৬৮ সালে এপ্লাইড ম্যাথমেটিক্স এবং থিওরিটিকাল ফিজিক্স এ উনি এই PhD করেন।

এই ট্রিনিটি কলেজ থেকে কিন্তু অনেক বড় বড় মানুষজন বের হইসে! যেমন পদার্থ বিজ্ঞানী আইজ্যাক নিউটন, জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল, নিলস বোর, গণিতবিদ শ্রীনিবাস রামানুজন, আধুনিক কম্পিউটার এর জনক চার্লস ব্যাবেজ, লেখক ভ্লাদিমির নাভোকোভ যার লেখা “ললিতা” বিংশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিগুলোর মধ্যে একটা! এইরকম বড় বড় লোকজন কিন্তু এই ট্রিনিটি কলেজ থেকেই বের হইসে যেখান থেকে জামাল নজরুল ইসলাম স্যারও বের হইসেন! আরেকটা ট্রিনিটি কলেজ আছে, ঐটা আয়ারল্যান্ড এর ডাবলিনে, যেখান থেকে আমাদের খালিদ ফারহান ভাই পড়াশোনা করে বের হইসেন। 

 

এখন জামাল নজরুল ইসলাম স্যারের কাজ ছিলো কসমোলজি নিয়ে! কসমোলজি জিনিসটা কি? এটা হইতেছে জোতির্বিজ্ঞান এর একটা শাখা। এইখানে মূলত এটা নিয়ে গবেষণা করা হয় যে পুরো বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ড আসলে কিভাবে সৃষ্টি হইলো? বিগ ব্যাং টা কখন হইসে? কখন থেকে বিশ্বের শুরু হইসে এবং কখন এটার শেষ হবে? এর ভিতরে অনেক গুরুত্বপূর্ন এবং এক্সাইটিং জিনিসপত্র আছে। যেমন ডার্ক ম্যাটার, ডার্ক এনার্জি, স্ট্রিং থিওরী। এমনকি মাল্টিভার্স ও আছে! অর্থাৎ আমাদের এই ইউনিভার্স ছাড়া অন্য কোনো ইউনিভার্স আছে কিনা! এরকমটা আপনারা ডক্টর স্ট্রেঞ্জ এর রিসেন্ট ট্রেইলার এর মধ্যে দেখছেন “মাল্টিভার্স অফ ম্যাডনেস”।

ডক্টর স্ট্রেঞ্জ এর রিসেন্ট ট্রেইলার “মাল্টিভার্স অফ ম্যাডনেস”।

এই মাল্টিভার্স নিয়েও আলোচনা হয় কসমোলজি এর ভিতরে! এই কসমোলজি নিয়ে আরেকজন বিখ্যাত ব্যাক্তি কাজ করতেন, তিনি এই জামাল নজরুল স্যারের ই বন্ধু এবং রুমমেট, স্টিফেন হকিং!

স্টিফেন হকিং

স্টিফেন হকিং এর অনেক গুরুত্বপূর্ন একটা কাজ হিসেবে ধরা হয় তার প্রতিষ্ঠা করা একটা প্রতিষ্ঠান “Centre For Mathematical Sciences” বা CMS। এটা পৃথিবীর সবচেয়ে বড় গণিত ডিপার্টমেন্ট! আমাদের জামাল নজরুল ইসলাম স্যারও কিন্তু অনেকটা এরকম একটা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের চট্টগ্রামে প্রতিষ্ঠা করছিলেন যেটার নাম “Research Centre For Mathematical and Physical Sciences” বা RCMPS। কিন্তু এটা তত একটা প্রচার পায়নি যতটা স্টিফেন হকিং এর সেন্টার টা পাইছিলো! এটার দেখাদেখি আফ্রিকাতেও একটা সেন্টার করা হয় যেটার নাম “African Institute for Mathematical Sciences” বা AIMS। এই প্রতিষ্ঠান গুলোকে এই লক্ষেই গড়ে তোলা হইসে যে এইগুলো পুরা জাতির গঠনে অবদান রাখবে, এইগুলোর মধ্যে ফান্ডিং আসবে, মানুষ রিসার্চ করবে, এখানে যে রিসার্চ প্রোডাক্টগুলো আছে সেগুলো পুরো জাতির উপকারে আসবে। কিন্তু যেখানে এই AIMS আর CMS পুরা বিশ্বের মধ্যে এবং তাদের দেশের মধ্যে যেরকম গুরুত্তপূর্ণ ভূমিকা পালন করতেছে, সেখানে বাংলাদেশের মধ্যে জামাল নজরুল ইসলাম স্যারের করে দেওয়া  রিসার্চ সেন্টারটিকে আমরা তেমনভাবে কাজে লাগাতে পারি নাই। 

 

স্টিফেন হকিংয়ের সাথে জামাল নজরুল ইসলাম স্যারের কিরকম সম্পর্ক ছিলো, এই প্রসঙ্গে তার বড় মেয়ে সাদাফ সাজ একটা জায়গায় বলছেন “আমার এখনো মনে আছে কিভাবে আমি ও আমার বাবা স্টিভকে তার হুইলচেয়ার সহ গাড়ি পর্যন্ত এগিয়ে দিয়ে আসতাম। উনার তখন ডিজিটাল ভয়েস টা ছিলো না। আমি অনেক সময় তার কথা বুঝতে পারতাম না, কিন্তু আমার বাবা মাঝে মাঝে জোরে হেসে উঠতেন স্টিভের কথা শুনে, কারণ স্টিভ বেশ রসিক মানুষ ছিলেন। আমি ও আমার বোন অনেক সময় ওদের বাড়ি ঘুরতে যেতাম। ওইখানে অনেক সুন্দর বাগান ছিলো, গাছে ঘেরা খুব সুন্দর লন ছিলো। আমরা বাচ্চারা সারাক্ষণ ছুটোছুটি করতাম সেখানে। তাদের ঘরটা ছিলো উষ্ণ, হাসিখুশিতে ভরপুর আর অনেক বেশি ভালোবাসায় পরিপূর্ন”।

 

তো এইখান থেকে কিন্তু বুঝা যায় স্টিফেন হকিংয়ের সাথে একটা সময় পর্যন্ত জামাল নজরুল ইসলাম স্যারের খুব ভালো উঠাবসা ছিলো যতক্ষণ না পর্যন্ত উনি বাংলাদেশে ফেরত আসেন। 

 

জামাল নজরুল ইসলাম স্যার:“বড় মেয়ের বিয়ে হচ্ছে ১৯৮৮ সনে,তখন আমাদের সাথে এলেন একজন বিশিষ্ট বয়স্ক বিজ্ঞানী, স্কটল্যান্ডের। খুব সিনিয়র। তিনি আমাদের সাথে এলেন, তো উনি দেখছেন আমার মেয়ে ভিতরে বসে আছে। আমার ছোট মেয়ে নার্গিস বান্ধবীদের সাথে গান রচনা করছে, এটা সেটা হাবিজাবি। উনি দেখছেন। তো কিছুক্ষণ পরে আমাকে বলছেন যে  You know professor Islam? We have this sort of activity in Scotland about a hundred years ago. And it is a matter of great sadness that we have lost it forever. অর্থাৎ ১০০ বছর আগে আমাদের দেশে এরকম অবস্থা ছিলো, আমরা বসে গান করতাম গান শুনতাম। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় এটা আমরা স্থায়ীভাবে হারিয়ে ফেলেছি। আমরা যেনো এটাকে স্থায়ীভাবে না হারাই।” 

 

এই মুহূর্তে মহাবিশ্বের ভবিষৎ নিয়ে কিন্তু অনেক মানুষ গবেষণা করতেছে। কিন্তু জামাল নজরুল ইসলাম স্যার যখন এই জিনিসটা নিয়ে কাজ করছিলেন তখন কিন্তু এটা নিয়ে খুব বেশি একটা মানুষ কাজ করে নাই। এমনকি একটা জিনিস খেয়াল করেন, জামাল নজরুল ইসলাম স্যারের একটা বই বের হইসিলো “The ultimate fate of the Universe” যেটার প্রকাশকাল ১৯৮৩ সাল। আর স্টিফেন হকিংয়ের বিখ্যাত একটা বই “The brief History of Time” যেটার প্রকাশকাল কিন্তু হচ্ছে ১৯৮৮ সাল! অর্থাৎ স্টিফেন হকিংয়ের সেই বিখ্যাত বই প্রকাশ করারও ৫ বছর আগে মহাবিশ্বের ভবিষ্যৎ নিয়ে বই লিখেছিলেন আমাদের জামাল নজরুল ইসলাম স্যার।১৯৮১ সালে উনি লন্ডনের লাখ টাকা বেতনের চাকরি ছেড়ে দিয়ে মাত্র ৩ হাজার টাকা বেতনের চাকরি নিয়ে নিজের মাতৃভূমি বাংলাদেশে ফেরত আসেন। 

 

আমাদের সবার প্রিয় প্রফেসর মাহবুব মজুমদার স্যার, উনি জামাল নজরুল ইসলাম স্যারেকে নিয়ে একটা গল্প বলছেন। একবার জামাল নজরুল ইসলাম স্যারের চট্টগ্রামের নিজেদের বাসাতে উনাদের যাওয়ার সৌভাগ্য হইসিলো। তো উনি গেছেন, ভিতরে ঢুকছেন। ওইখানে উনার একটা লাইব্রেরী আছে যেখানে প্রচুর পরিমাণে বই আছে এবং কালেকশন খুবই উচু লেভেলের। তো উনি মাহবুব মজুমদার স্যারকে বলে দিসেন যে তুমি চাইলে যেকোনো বই নিতে পারো। তো স্যার প্রথমে একটা বই নেয়, নেওয়ার পর জিজ্ঞেস করে যে এটা কি আমি নিতে পারি? জামাল নজরুল ইসলাম স্যার বলছেন যে হ্যা নিতে পারো। এরকম আরেকটা বই নিয়ে আবার জিজ্ঞেস করেন যে এই বইটা কি আমি নিতে পারি? স্যার বলছেন যে নিতে পারো। এভাবে উনি ২০ টা পর্যন্ত বই নিয়ে জিজ্ঞেস করতে করতে নিয়েছিলেন এবং বইগুলোকে উনি ঢাকায় নিয়ে আসছিলেন। ওই বইগুলোর ফটোকপি করে ওগুলো তিনি নিজের কাছে রাখেন এবং মূল বাকিগুলো জামাল নজরুল ইসলাম স্যারকে ফেরত দেন।

সবচেয়ে বড় ব্যাপার, এই বইগুলো ফেরত দিতে উনাকে আবার চট্টগ্রামে যেতে হয়নি। জামাল নজরুল ইসলাম স্যারের বড় মেয়ে সাদাফ সাজ কোনো একটা কারণে ঢাকায় আসছিলেন এবং উনি মাহবুব স্যার এর কাছ থেকে ওই ২০ টা বই কালেক্ট করে নিয়ে গেছেন। জামাল নজরুল ইসলাম স্যার কতটা সুপিরিয়র লেভেলের মানুষ ছিলেন! চিন্তা করেন উনি বইগুলোকে ধার দিসেন, আবার তার নিজের মেয়ে ওই ধার করা বইগুলোকে নিয়ে চট্টগ্রামে ফেরত আসছেন। ১৯৯৫ সালের সেই ট্রিপে মাহবুব মজুমদার স্যারের বাবা ডক্টর বদিউল আলম মজুমদার, উনি জামাল নজরুল ইসলাম স্যারকে দেখে বলছিলেন “A superior human being” অর্থাৎ একজন উৎকৃষ্ট মানবসত্তা। এই কথাটা তার বাবা আর অন্য কারো জন্যে বলেন নাই। 

 

জামাল নজরুল ইসলাম স্যারের প্রকাশনা, যেমন বই কিংবা রিসার্চ পেপার, এগুলো কিন্তু অনেক আছে। “The Ultimate fate of Universe” সহ তার প্রায় ৯ টা বই আছে। আর তার এই বইটা প্রায় ৭ টা বিদেশি ভাষায় অনূদিত হইসিলো। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস থেকে তার প্রকাশ করা “Rotating fields in general relativity” জাপানি, ফ্রেঞ্চ,পর্তুগিজ, যুগোস্লাভিশ,ইতালীয় ভাষায় অনুবাদ করা হয়। এছাড়াও তার লেখা আরো গুরুত্বপূর্ন কিছু বই আছে। বই ছাড়াও তিনি প্রায় ৫০ টা গবেষণা পত্র প্রকাশ করেন বিভিন্ন বিখ্যাত জার্নাল পেপারে। 

 

এখন কিছু ফ্যাক্ট আছে যেগুলো আমরা খুব বেশি সোর্স থেকে ভেরিফাই করার সুযোগ পাই নাই। কাজেই এগুলো সত্য হইতেও পারে, নাও হইতে পারে। যেমন:

  • এক: ২০০১ সালে পৃথিবীর অনেক বড় বড় বিজ্ঞানী মিলে বলছিলেন যে পৃথিবী এইবছর ধ্বংস হয়ে যাবে। কিন্তু জামাল নজরুল ইসলাম স্যার গাণিতিক হিসাব করে দেখাইসিলেন যে এইরকম ভয় পাওয়ার কারণ আপাদত নাই কারণ প্রাকৃতিক নিয়ম অনুযায়ী সৌরজগতের সবগুলো গ্রহ এমন অবস্থানে আছে যে এটা পৃথিবীর অবস্থান দ্বারা তেমন একটা প্রভাবিত হবেনা। 

 

  • দুই: চট্টগ্রামের কলেজিয়েট স্কুলে তিনি এত ভালো করেন অ্যাডমিশন টেস্টের মধ্যে যে শিক্ষক তাকে ডাবল ক্লাসিফিকেশন সহ প্রমোশন দিসিলেন। তখন শিক্ষকরা তাকে জীবন্ত কম্পিউটার ডাকতেন। অন্যান্য বিজ্ঞানীরা যখন কম্পিউটার ব্যাবহার করতেন গাণিতিক হিসাবের জন্যে, তখন অনেককিছুই জামাল নজরুল ইসলাম স্যার নিজেই নিজের মাথার মধ্যে করে ফেলতেন। উনি নাকি বলতেন কম্পিউটার আমার জন্যে খুব প্রয়োজনীয় কোনোকিছু না। কিন্তু উনি সবসময় সাধারণ বিভিন্ন কাজের জন্যে কম্পিউটার ব্যাবহারের কথা অকপটে স্বীকার করেছেন। 

 

  • তিন: আমাদের ডক্টর জাফর ইকবাল স্যার যখন ইউএসএ থেকে বাংলাদেশে ফিরে আসার কথা বলছিলেন, তখন উনি আসার আগে জামাল নজরুল ইসলাম স্যারের সাথে কথা বলে নিসিলেন এবং জামাল নজরুল ইসলাম স্যার তাকে দেশে আসতে অনেক বেশি পরিমাণে উৎসাহিত করেন। এটা মোটামুটি সত্যই কারণ এটা জামাল নজরুল ইসলাম স্যারের বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে উনি বলেছিলেন।

 

এই মানুষটা বাংলাদেশে ছিলেন বলে আমরা তাকে খুব বেশি পরিমাণে হাইলাইট করতে পারি নাই, তার কাজ গুলোকে বেশি একটা হাইলাইট করতে পারি নাই যতটা স্টিফেন হকিং সেই পশ্চিমা জায়গায় ছিলো বলে ওই মিডিয়াগুলোর অনেক বেশি কাভারেজ পাইসেন এবং তার কাজগুলোকে বৈশ্বিক দরবারে তুলে ধরার সুযোগটা পাইসিলো। আমরা আশা করি জামাল নজরুল ইসলাম স্যারের মত এই বড় পরিমাণ আত্মত্যাগ আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে আরো বেশি পরিমাণে দেশের জন্যে কাজ করতে উৎসাহিত করবে। 

 

আজকে এই পর্যন্তই। ইন্টারনেট জগতে জামাল নজরুল ইসলাম স্যারকে নিয়ে খুব বেশি একটা তথ্য নাই কেননা উনার কাজগুলোর সময় ইন্টারনেট ওই পরিমাণে এভেইলেবল ছিলো না। 

সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। দেখা হবে ইনশা আল্লাহ্। আল্লাহ্ হাফিজ।

 

 

Research Affiliates:

Labid Rahat https://www.youtube.com/channel/UCTio…

Alif Arshad https://www.facebook.com/alif.arshad.b 

For Gaining more knowledge on this topic:-

What is astronomy? Definition & History

The history of the universe: Big Bang to now in 10 easy steps

Our expanding universe: Age, history & other facts

What’s 96 Percent of the Universe Made Of? Astronomers Don’t Know

Controversial Study Suggests Our Universe is One of Many

Remembering the Life and Legend of Professor J N Islam

Remembering Professor Jamal Nazrul Islam

বিশ্বের বুকে বাংলার গর্ব জামাল নজরুল ইসলাম

An Unknown Truth About Stephen Hawking And His Bangladeshi Friend…

Jamal Nazrul Islam Astronomy Club, JUST

His loving family

Jamal Nazrul Islam’s research while affiliated with University of Chittagong and other places

A unique achievement

Prof Jamal Nazrul Islam passes away

Who is Great! Stephen Hawking or Jamal Nazrul Islam

Leave a Reply

Your email address will not be published.