প্যান্ডোরা পেপার্স নিয়ে যে কারণে এতো মাতামাতি | Pandora Papers Explained in Bangla Enayet Chowdhury

 অনেক বড় একটা ঘটনা ঘইটা গেসে। খুব সম্প্রতি ইন্টারন্যাশনাল কনসোট্রিয়াম অফ ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিস্ট (International Consortium of Investigative journalists) বা ICIJ প্রায় ২.৯৪ টেরা বাইট সাইজ এর গুরুত্বপূর্ন এবং গোপনীয় নথি ফাঁস করে রিপোর্ট দেয় যেটায় জর্ডান এর রাজা কিং আবদুল্লাহ II থেকে শুরু করে ভারতের সচিন টেন্ডুলকার,কলম্বিয়ার বিখ্যাত গায়িকা শাকিরার নামও উঠে আসছে যেখানে তারা দেশের ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে বিদেশে নিজেদের অর্থ পাচার করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এটা এযাবৎকালের পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ডাটা লিক। এর আগের সবচেয়ে বড় লিক ছিলো পানামা পেপার্স। আমি খুবই অবাক হইসি এখানে শাহরুখ খান এর নাম নাই, বেচারার ছেলে এমনিই ড্রাগ কেস এ ফাইসা আছে। যাক ওরে আর কোনো পেরা দেওয়ার দরকার নাই। ভালো ব্যাপার, বাংলাদেশের কোনো রাজনীতিবিদের নাম এখন পর্যন্ত আসেনাই। শুধুমাত্র আব্দুল আওয়াল মিন্টুর নেপালি ব্যাবসায়ী বন্ধু বিনোদ চৌধুরীর নাম এখানে আসছে। আব্দুল আওয়াল মিন্টুর ছেলের নাম হচ্ছে তাবিদ আওয়াল, যিনি বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সাবেক সহ সভাপতি ছিলেন। সব মিলিয়ে এই পেন্ডোরা পেপার্স কেলেঙ্কারিটা আসলে কি! এতে কোন কোন দেশের বড় বড় রুই কাতলারা অভিযুক্ত হইসেন! তাদের ট্যাক্স ফাঁকি দেওয়ার সিস্টেম টা আসলে কেমন ছিলো! এবং এসব রিপোর্ট ফাঁস হওয়ার পর কার কি লাভ বা ক্ষতি হয়, এ পুরো ব্যাপারটি নিয়ে আমি আজকে আলোচনা করবো। তো চলুন, শুরু করা যাক।

প্রথমে আপনাদেরকে একজন লোকের কথা বলি। লোকটার নাম গ্রায়েম ব্রিগস(Graeme Briggs), বয়স ৭৫ বছর। উনি একজন অস্ট্রেলিয়ান হিসাবরক্ষক। উনি এত বিলাসী জীবনযাপন করে যে উনার কলমের যে কালেকশন আছে ওইটার দাম বর্তমান বাজারে প্রায় ৪ মিলিয়ন ইউএস ডলার। এটা ছাড়া তার দামী মদ আর বিলাসবহুল বাড়ি তো আছেই। উনি এত টাকার মালিক হইসেন একটা নির্দিষ্ট ব্যাবসা করার মাধ্যমে যার নাম অফশোর ব্যাংকিং বিজনেস (Offshore Banking business)। উনার সারা পৃথিবী জুড়ে সাড়া ফালানো যে কোম্পানি, তার নাম এশিয়াসিটি (Asiaciti), যেটা অবশ্যই পেন্ডোরা পেপার্স এর মধ্যে আসছে। এটা একটু বুঝিয়ে বলি। সামোয়া নামের একটা দেশ আছে, এটা এমন এক দেশ রে ভাই, নিউজিল্যান্ড এর উপরে আছে ভানুয়াটু যার ঠিক পাশেই ফিজি এবং এর পাশে ছোট্ট পিচ্ছি এক দেশ সামোয়া। এই দেশটাকে খুজে পাওয়া অনেক ঝামেলার ব্যাপার। সামোয়ার নাম আসলে কেনো বললাম আমি! দেখেন এটা কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার কাছাকাছি। একসময় ওয়েস্টার্ন সামোয়ার সাথে অস্ট্রেলিয়ার কোনো ট্যাক্সেশন ট্রিটি ছিলো না। একারণে অস্ট্রেলিয়া থেকে আপনি যদি সামোয়াতে ইনভেস্ট করেন,তাহলে আপনার উপর কোনো ইনকাম ট্যাক্স কাটা হবে না। ওরা আপনাকে সম্পূর্ন গোপনীয়তা এবং কনফিডেনশিয়ালিটি এর নিশ্চয়তা দেয়। একটা সময় ছিলো অস্ট্রেলিয়া তার নাগরিকদের ফরেন ইনকাম এর উপর কোনো ট্যাক্স কাটতো না। তার মানে পুরা কেস টা একটু খেয়াল করেন, আপনি একজন ব্যাবসায়ী হিসেবে অস্ট্রেলিয়া তে বইসা যদি সামোয়াতে একটা কোম্পানি খুলেন এবং ওই কোম্পানি দিয়ে সামোয়াতে তো ব্যাবসা আপনি করলেন না বরং অন্য একটা দেশে ব্যাবসা করলেন, তাহলে এখানে আপনার বিরাট একটা লাভ হইতেছে। প্রথম লাভ সামোয়ার সরকার অস্ট্রেলিয়ান ইনভেস্টমেন্ট এর উপর কোনো ট্যাক্স কাটতেছে না, আবার সামোয়ায় বইসা যখন আপনি ফরেন ইন্ডাস্ট্রিতে ব্যাবসা করতেছেন ঐখানেও আপনার কোনো ট্যাক্স দিতে হইতেছে না। তাই ওভারঅল আপনি পুরোপুরি ভাবে অস্ট্রেলিয়ায় বসে ব্যাবসা করার মাধ্যমে কোনো ট্যাক্স না দিয়ে পুরো একটা ব্যাবসা দাড় করিয়ে ফেলতে পারবেন। কি মজা রে ভাই! এইযে সামোয়ার মত একটা দেশ,যেটা ট্যাক্স এর জন্যে একটা স্বর্গ স্বরূপ, এরকম দেশগুলোকে বলা হয় ট্যাক্স হেভেন। সামোয়ার এই ট্যাক্স হেভেন কে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ২০১৭ সালে ব্ল্যাকলিস্টেড করছিলো। গ্রায়েম ব্রিগস এর কাজটা কি ছিলো জানেন? ও ওর ক্লায়েন্টদেরকে এই পরামর্শ দিতো যে এইভাবে ব্যাবসাটা করা যায় এবং এটাকেই বলা হয় অফশোর ব্যাংকিং বিজনেস। এখান থেকে একটা পার্সেন্টেজ ও নিজে রাখতো এবং যখন ও অস্ট্রেলিয়ান রেসিডেন্টদেরকে ওই টাকাটা ফেরত দিতে যাইতো, ঐটা ডিরেক্ট কোনো পেমেন্ট এর মাধ্যমে দিতো না বরং এটা একটা লোন আকারে দিতো এবং এই লোন এর উপর কখনো কোনো ট্যাক্স কাটা হইতো না। Asiaciti কোম্পানিটির কাজ এটাই ছিলো এবং এটা একটা সিঙ্গাপুর বেজড কোম্পানি যে সিঙ্গাপুর নিজেও একটা ট্যাক্স হেভেন যেখানে কর্পোরেট কোনো ব্যাবসা করতে গেলে মাত্র ১৭% এর মত ট্যাক্স দিতে হয়,যেটা আয়ারল্যান্ড এর মধ্যে হয়তো ১২%(ওইটাও একটা ট্যাক্স হেভেন)। বুইঝা গেলেন অফশোর ব্যাংকিং বিজনেসটা আসলে কি এবং ট্যাক্স হেভেন বলতে আসলে কি বোঝায়! এখন আসেন এটার সাথে পেন্ডোরা পেপার্স এর সাথে রিলেশনটা কোন জায়গায়! Investigative journalists এর একটা সংঘ যার নাম International Consortium of Investigative journalists বা ICIJ, ওরা কিছু নির্দিষ্ট বিরতি দিয়ে দিয়ে একটা ইনভেস্টিগেটিভ রিপোর্ট পাবলিশ করে যেটা এই অফশোর ব্যাংকিং এর উপরে। পৃথিবীর কোন কোন বড় বড় ধনী মানুষ নিজের দেশের ট্যাক্স ফাঁকি দেওয়ার জন্যে বিদেশে এইভাবে টাকা পাচার করতেছে, এইটার উপর তারা তদন্ত করে। ওই তদন্তেরই এই তৃতীয় রিপোর্ট হচ্ছে এই পেন্ডোরা পেপার্স যেটা ২০২১ এ পাবলিশ হয় হইলো। এর আগে আরো ২ টা পেপার আপনারা শুনবেন ওদের কাছ থেকেই পাবলিশ করা, একটা হলো পানামা পেপার্স যেটা তুমুল সাড়া ফেলছিলো পুরা পৃথিবীতে, আরেকটা হচ্ছে পেরাডাইস পেপার্স যেটা ২০১৭ সালে পাবলিশ হয়। তো কথা হইতেছে এই পেন্ডোরা পেপার্সটা কেনো ইম্পর্টেন্ট এবং আলাদা অন্য দুটো পেপার্স এর ক্ষেত্রে! এক নম্বর কারণ, এটার ফাইল সাইজ হিউজ(অনেক বড়) যেটা হলো ২.৯৪ টেরা বাইট। কম্পারিজন এর জন্যে বলি, ২০১৬ সালের পানামা পেপার্স এর সাইজ ছিলো ২.৬ টেরা বাইট, আর পেরাডাইস পেপার্স এর সাইজ ছিলো ১.৪ টেরা বাইট। ফাইলের সংখ্যার দিক থেকে পানামা পেপার্স এ ফাইল ছিলো ১১.৫ মিলিয়ন ফাইল, পেরাডাইস পেপার্স এ ছিলো ১৩.৪ মিলিয়ন ফাইল আর পেন্ডোরা পেপার্স এ ছিলো ১১.৯ মিলিয়ন ফাইল। যদিও ফাইল এর সংখ্যা পেরাডাইস পেপার্স এ বেশি,কিন্তু সাইজ পেন্ডোরা পেপার্স এ সবচেয়ে বেশি। এখন যে ম্যাপ টা দেখতেছেন, এখানে ১৪ টা ফার্ম এর নাম আছে। এই ফার্মগুলোই হচ্ছে অফশোর ব্যাংকিং বিজনেস করে। একদম ডান পাশের কোনায় দেখেন একটা নাম দেখা যায়,পরিচিত লাগে? পরিচিত লাগার কথা, এইটাই হচ্ছে সেই Aciasiti, এর নামই কিন্তু শুরুতে বলছিলাম। একটু বামে আসেন, ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ডস বা BVI, এইজায়গাটাতে টাকাপয়সা পাচার করছে বইলা অভিযোগ আসছে Toni Blare আর সচিন টেন্ডুলকার এর নামে। Toni Blare, যিনি UK এর সাবেক প্রাইম মিনিস্টার ছিলেন, উনি আর উনার বউ ৬.৪৫ মিলিয়ন পাউন্ড দিয়ে এই ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ড এর মধ্যে একটা বাড়ি কিনছিলেন ২০১৭ সালে এবং এটা এখন তাদের অফিসিয়াল কাজে ইউজ করা হয়। এটা তারা কিনছিলেন অফশোর ব্যাংকিং বিজনেস এর মাধ্যমে। সচিন টেন্ডুলকারের ক্ষেত্রেও সেম কেস। আরেকটু বাম পাশে আসেন,বেলিজ নামের একটা নতুন দেশ আমি দেখতে পাইসি, এটার নাম এর আগে আমি কখনোই জানতাম না, এই ভিডিও বানাইতে গিয়া আমি নতুন নতুন দেশের নাম জানতেছি। ভানুয়াতুর নামও আমি আগে জানতাম না।

এখন প্রশ্ন আসতেছে,পৃথিবীর কোন কোন দেশের রাজনীতিবিদদের নাম এই পেন্ডোরা পেপার্স এর মধ্যে আসছে! মোট ৩৩৬ জন রাজনীতিবিদদের নাম আসছে, এর মধ্যে আমাদের কাজে লাগবে এমন দেখেন, পাকিস্তান এ ৭ জন আর ইন্ডিয়া তে ৬ জন(ভাগ্য ভালো বাংলাদেশের নাই কেও আপাদত),সৌদি আরব ৫ জন,তারপর যার নাম থাকবেই UAE তে ১১ জন, রাশিয়ার ১৯ জন, উইক্রেন এর ৩৮ জন!(ভাই রে ভাই)যুক্তরাজ্যের ৯ জন। যাক ভালো কথা। এখন প্রশ্ন হচ্ছে এই পেন্ডোরা পেপার্স কেনো এতো এটেনশন ধরতে পারলো! এর এক্সক্লুসিভনেস আসলে কোন জায়গায়! পয়েন্ট নম্বর ওয়ান, দেখেন এর আগে যখন পানামা পেপার্স পাবলিশ হইসিলো ওইখানে শুধুমাত্র একটা অফশোর ব্যাংকিং বিজনেস এর প্রতিষ্ঠানের নাম ফাঁস হইসিলো যেটা হইতেছে একটা পানামিয়ান ল ফার্ম মোসাক ফন্সেকা। এটার নাম আপনারা অনেক শুনছেন। ঠিক সেই জায়গায় পেন্ডোরা পেপার্স এ ১৪ টা কোম্পানির নাম ফাঁস হইসে। তাইলে বুঝেন এটা কতটা বড়! এটা ছাড়াও পেন্ডোরা পেপার্স এ পানামা পেপার্স এর তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ ইনফরমেশন পাওয়া যায় এই অফশোর কোম্পানিগুলো কিভাবে কাজ করে, কি কমপ্লেক্স নিয়মে কাজ করে এটা সম্পর্কে! যেটা ওদের ট্যাক্স ফাঁকি দেওয়ার সিস্টেমটাকে আরো ভালোভাবে বুঝতে সাহায্য করবে। দেখা গেছে এর মালিকরা বিভিন্ন দেশ থেকে আসছে, সবচেয়ে বেশি পরিমাণে আসছে রাশিয়া,UK,আর্জেন্টিনা এবং চীন থেকে।

আপনাদের একটা প্রশ্ন হইতে পারে,এইযে এত এত পেপার্স লিক হয়, এটাতে আসলে আমাদের কি লাভ হয়! অথবা এইযে মানুষজন এত ট্যাক্স ফাঁকি দিতেছে,এতে আসলে আমাদের ক্ষতিটা কি হয়! নম্বর ওয়ান হচ্ছে ডোমেস্টিক ক্ষতি। এই লোকগুলোর কাছ থেকে সরকার ট্যাক্স পাইতেছে না যেই ট্যাক্স টা পাইলে সরকার হয়তো এই টাকা দিয়ে একটা মাতৃসদন করতে পারতো,একটা প্রাইমারি স্কুল বানাইতে পারতো, বিনামূল্যে কৃষকদের সার দিতে পারতো, একটা ভালো রাস্তা নির্মাণ করতে পারতো, এইরকম আরো অনেককিছু। ইন্টারন্যাশনাল ক্ষতিটা কি দেখেন, আমি যদি এই অফশোর ব্যাংকিং বিজনেস এর মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে একটা ফার্ম কিনতে যাই,আমার টাকাটা মনে করেন দুর্নীতির টাকা,যদি ওই ফার্ম টা নিলামের মধ্যে বিক্রি হয়,(আমার কাছে তো অনেক টাকা আছে,আমি ট্যাক্স  ফাঁকি দিতেছি)সবমিলিয়েওই অকশন এ আমার সাথে অন্য যে অস্ট্রেলিয়ানরা আমার সাথে প্রতিযোগিতা করবে,আমি কিন্তু তাদের থেকে অনেক আগায়া আছি। তাই আমি বেশি টাকা দিয়ে কিন্তু ওই ফার্মটা কিনে নিতে পারবো যেখানে অস্ট্রেলিয়ার ওইখানে থাকা নাগরিকরা নিজেরা নিজের দেশের ফার্ম কিনতে পারতেছে না আমার দেওয়া এই দুর্নীতির টাকার কারণে। ইন্টারন্যাশনালি একটা অসম প্রতিযোগিতা তৈরি হয় যেটা কখনোই ফেয়ার না। একারণে মোরাল গ্রাউন্ড থেকে বুঝাইলাম কেনো ডোমেস্টিক এবং ইন্টারন্যাশনাল দুই জায়গা থেকেই ট্যাক্স ফাঁকি দেওয়ার ব্যাপারটা একটা অনুচিত ও ইললিগ্যাল কাজ।

এখন আপনাদের একটা প্রশ্ন হইতে পারে,এইযে এত এত পেপার লিক হইতেসে,এটার আল্টিমেট ফলাফল টা কি! প্রথম কেস,পানামা পেপার্স যখন লিক হইসিলো তখন কিন্তু আইসল্যান্ড আর পাকিস্তান,এই দুটো দেশের প্রধানমন্ত্রীকে রিজাইন করতে হইসিলো।পাকিস্তান এর নওয়াজ শরিফ, সে রিজাইন করছিলো।আইসল্যান্ড এর প্রাইম মিনিস্টার সিগমুন্দুর ডেভিড গুনালাগুসন,ওকেও রিজাইন করতে হইসিলো ওদের নাম পানামা পেপার্স এর মধ্যে আসছিলো দেখে। পেন্ডোরা পেপার্স এর মধ্যে সেম।ধরনের পরিণতি অনেকেরই হইতে পারে। দ্বিতীয় ব্যাপার, ৮০ টিরও বেশি দেশে ইনভেস্টিগেশন বা তদন্ত শুরু হইসিলো যে কারা কারা ট্যাক্স ফাঁকি দিসে যেটা হয়তো পানামা পেপার্স লিক না হইলে হয়তো না।আমরা আশা করতেছি পেন্ডোরা পেপার্স এর পরেও এরকম কিছু একটা হবে। তিন নম্বর পয়েন্ট,পানামা পেপার্স বের হওয়ার পরে প্রায় ১.৩৬ বিলিয়ন ডলার রিকোভার করা গেসে যেটা ট্যাক্স হিসেবে ওরা ফাঁকি দিসিলো। এখানে যে দেশগুলো দেখতেছেন আর পাশে যে এমাউন্টটা দেখতেছেন সেটা হলো কোন দেশ কত টাকা রিকোভার করতে পারছে।সবার উপর UK ২৫২.৭৬ মিলিয়ন ডলার,জার্মানি ১৯৫.৬৫ মিলিয়ন ডলার, স্পেন ১৬৬.৪৯ মিলিয়ন ডলার। ওভারঅল বুঝতে পারতেছেন এধরনের পেপার লিক কেও এমনি এমনি করে না,ভিতরে Anonymous কেও পরিচয় গোপন রেখে এই বিষয়গুলো লিক করে। এটার পিছনে একটা বড় উদ্দেশ্য থাকে,বিভিন্ন দেশের লাভ থাকে,ইন্টারন্যাশনাল কমিউনিটির লাভ থাকে এবং ট্যাক্স দেওয়া যে একটা গুরুত্বপূর্ন দায়িত্ত্ব,এইটা এই বড় বড় লোকগুলোকে বারবার মনে করিয়ে দেয়া হয়।ওরা এখানে কামড়া কামড়ি তে ব্যাস্ত থাকুক,কোনো সমস্যা নাই। 

এখন মিম রিভিউ।

U/Shits_do_that: ফেসবুক gone, ফেসবুক, হোয়াটস অ্যাপ,ইনস্টাগ্রাম সালাম দিতেছে রেডিট আর ডিসকর্ড কে।আমি এটা সমসময় বলি,এদের মধ্যে সবসময়ই ঝামেলা লেগেই থাকে। 

Porag vhai 1996:thank you YouTube algorithm for acknowledging us 

সাকিব সাদি 96: গত পডকাস্ট এ স্কুইড গেম এর কথা শুনছিলাম,এইটা নাকি? 

রবার্ট কুদ্দুসি 69:

আজকে এই পর্যন্তই।আমি আশা করি পেন্ডরা পেপার্স সম্পর্কে আপনাদের যে প্রস্ন এবং ডাউট ছিলো সেগুলো একটু হলেও ক্লিয়ার হইসে।আমার মনে হয় বাংলাদেশের কারো নাম থাকলে আরো বেশি ক্রেজ তৈরি হতো।

সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন।দেখা হবে শীঘ্রই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *